রবিবার, ২৩শে জুন, ২০২৪

সর্বশেষ

নজরুলের জীবনাদর্শ গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে উৎসাহিত করে: রিজভী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ফ্যাসিবাদের দুঃশাসন এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যেভাবে দাঁড়িয়েছেন, আজও তা অনুপ্রেরণা যোগায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আজ রোববার সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

অপেক্ষমান সাংবাদিকদের রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বর্তমানে দেশে যে ফ্যাসিবাদী শাসন চলছে, তাতে দেশে গণতন্ত্র নেই, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই। অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে অধিকার হারা, গণতন্ত্র হারা মানুষের আন্দোলন সংগ্রামে জাতীয় কবির কবিতা, গান ও জীবন আদর্শ আমাদের প্রেরণা জোগায়। আমাদেরকে গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে উৎসাহিত করে। আমরা যখন মিছিল করি, আমরা যখন শ্লোগান দেই, আমরা যখন কারাগারে যাই তখন এ মহান কবির কবিতা আমাদের উদ্দীপনা যোগায়।’

তিনি বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিচরণ করেছেন।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে বেগম খালেদা জিয়া আজ বন্দী, তারেক রহমান দেশে আসতে পারছেন না। তাকেও অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। হাজার হাজার নেতাকর্মী এখনও কারাগারে। এ থেকে পরিত্রান পেতে জাতীয় কবি আমাদের অন্যতম প্রেরণা। অচিরেই সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে ইনশাআল্লাহ।’

একই সময়ে বিএনপির শীর্ষ তিন নেতা সিঙ্গাপুরে কেন, তারা কি কোন ষড়যন্ত্রের জন্য গেছেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘এগুলো খামোখা কথা। তারা বয়োজ্যেষ্ঠ এবং গুরুতর অসুস্থ। তাই চিকিৎসা করাতে সিঙ্গাপুর গেছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন তিনি তো গুরুতর অসুস্থ হয়ে এক মাস আগে সেখানে গেছেন। আমাদের মহাসচিব মহোদয়ও নিয়মিত সিঙ্গাপুর চিকিৎসা নেন। মির্জা আব্বাসও নানা জটিল রোগে ভুগছেন। তিনি চিকিৎসা নিতে সেখানে গেছেন। তাহলে ষড়যন্ত্রের প্রশ্ন আসবে কেন? তাদের কী উন্নত চিকিৎসা করার অধিকার নেই?’

তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু ভোটের দাবি করা কিংবা গণতান্ত্রিক আন্দোলন ষড়যন্ত্র হবে কেন?’

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, জাসাসের আহবায়ক হেলাল খান, ও সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

আরও পড়ুন