সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সর্বশেষ

ভারি বর্ষণে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম,দূর্ভোগে এইচএসসি পরীক্ষারা

ভারি বর্ষণে আবারও ডুবল চট্টগ্রাম নগরীর নিম্নাঞ্চল। শনিবার রাত থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত কয়েক দফা বর্ষণে নগরীর নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। নিচু এলাকার ভবনগুলোতে পানি প্রবেশ করায় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৮৩.৯ মিলিমিটার।
রবিবার এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ায় বিপাকে শিক্ষার্থীরা।পানির কারনে অনেকে ঘর থেকে বের হতে পাচ্ছিলনা।আবার কেউ কেউ বের হরে রাস্তায় পড়ে বিপদে।নেই কোন যানবাহন,শুধু পানি আর পানি।তাই পরীক্ষা কেন্দ্রে টিক মতো আসতে পারেনি।

স্থানীয়রা জানান, ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা ও নোংরা পানি সড়কে উঠে যায়। ড্রেনেজ-ব্যবস্থা অচল থাকায় পানি সরতে না পেরে অনেক ঘর ও দোকানপাটের ভেতরে পানি ঢুকে গেছে।

ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টিতে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী এলাকা মোহরা, হামিদচর, চর রাঙামাটিয়া, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, চকবাজার, কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা, বাদুরতলা, বহদ্দারহাট, বাস টার্মিনাল, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, খাজা রোড, মিয়াখান নগর, প্রবর্তক মোড় ডুবে গেছে।

এছাড়া আগ্রাবাদ, সিডিএ আবাসিক এলাকা, শান্তিবাগ আবাসিক, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ, রিয়াজ উদ্দিন বাজারসহ নগরীর নিচু এলাকার সড়কগুলোতে হাঁটুপানিতে তলিয়ে যায়। জলাবদ্ধতা দেখা দেয় মেহেদীবাগ, ষোলশহর ২ নম্বর গেট, মুরাদপুর, ছোটপুল-বড়পুল, গোসাইলডাঙ্গা ও হালিশহরের বিভিন্ন এলাকায়। এসব এলাকার প্রধান সড়কের কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমর, আবার কোথাও বুক ছুঁই ছুঁই পানিতে তলিয়ে যায়।

কাপাসগোলা এলাকার বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন, গতকাল রাত থেকে তার ঘর হাঁটুপানিতে ডুবে আছে। জিনিসপত্র সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পানি না সরায় ঘরের পানি বাইরে বের করা যাচ্ছে না।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ডিওটি অ্যাসিস্ট্যান্ট মাহমুদুল আলম জানান, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৮৩.৯ মিলিমিটার।

এদিকে ভারি বর্ষণে নগরের ষোলশহরে পাহাড় ধসে বাবা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে পাঁচলাইশ থানাধীন ষোলশহর এলাকার আইডব্লিউ কলোনির ভিতরে এ ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন