রবিবার, ২৩শে জুন, ২০২৪

সর্বশেষ

‘এশিয়া কাপে বিজয়ের ডাক পাওয়া অস্বাভাবিক’

জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটার লিটন কুমার দাসের এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে যাওয়ায় কপাল খুলেছে আনামুল হক বিজয়ের। এশিয়া কাপের দলে বিজয়ের অন্তর্ভুক্তিটা একেবারেই অপ্রত্যাশিত বিষয়। কেননা, এশিয়া কাপের আগে থেকে ক্রিকেটারদের নিয়ে চলা আলোচনায় একবারের জন্যও শোনা যায়নি তার নাম।

শুধু তাই নয়, এশিয়া কাপের পুলে ডাক পাওয়া ৩২ ক্রিকেটারের ভেতর ছিলেন না বিজয়। তার অস্তিত্বও খুঁজে পাওয়া যায়নি এশিয়া কাপের কন্ডিশনিং ক্যাম্পে। এমনকি বাংলাদেশ ইমার্জিং দলেও জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন এই টপ-অর্ডার ব্যাটার।

বিজয়ের উপস্থিতি ছিল কেবলমাত্র বাংলাদেশ টাইগার্সে। সেখান থেকে হুট করেই যেন অজানা কোনো শক্তির প্রভাবে এশিয়া কাপের দলে জায়গা মিলেছে তার।

কিভাবে কোনো পরিকল্পনায় না থেকেও স্কোয়াডে ঢুকলেন বিজয় সেটি নিয়ে আলোচনা আরও তীব্র হয় প্রধান নির্বাচকের দেয়া খোঁড়া যুক্তির কারণে।

বোর্ডের দাবি, লিটন ছিটকে যাওয়ায় টিম ম্যানেজমেন্ট এমন একজনকে খুঁজছিল; যিনি কিনা টপ-অর্ডারে ব্যাটিং করেন পাশাপাশি উইকেট-রক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম। সেই দিক বিবেচনা করে লিটনের পারফেক্ট রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে বিজয় ছাড়া আর কাউকে খুঁজে পাননি নির্বাচকেরা।

ক্রিকেটভক্তদের মতো বোর্ডের এমন সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছেন ক্রিকেট বোদ্ধারাও।

দেশের ক্রিকেটের জনপ্রিয় কোচ ও স্বনামধন্য ক্রিকেট বিশ্লেষক নাজমুল আবেদীন ফাহিম বিষয়টিকে পুরোই অস্বাভাবিক মনে করছেন। তবে বোর্ডের হাতে বিকল্প কোনো উপায় না থাকায় অনেকটা বাধ্য হয়েই বিজয়ের দিকে হাত বাড়ানো লেগেছে বলে মনে করেন তিনি।

ফাহিম বলেন, ‘এটা তো খুবই অস্বাভাবিক (বিজয়ের ডাক পাওয়া)। ওতো কোনো প্রোগ্রামের ভেতরই ছিলো না।’

বিজয় ছাড়াও বোর্ডের দাঁড় করানো যুক্তি অনুযায়ী লিটনের অনুপস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো ক্রিকেটার এশিয়া কাপের পুলেই ছিলো। কিন্তু বিজয়ের প্রতি আস্থাটা বেশি থাকায় তাকে দলে নেয়া হয়েছে বলে মনে করছেন দেশ বরেণ্য এই কোচ।

ফাহিম বলেন, ‘যারা প্রোগ্রামের ভেতর ছিলো তারা সবাই আউট হয়ে গেছে। দলে এখন রয়েছে কেবল তানজিদ তামিম ও নাঈম শেখ। তামিম ইকবাল নেই, লিটন দাস নেই, সাইফ হাসান নেই। এরপরই বোধহয় বিজয়ের নামটা আসে আরকি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আরও হয়তো দুই একজন আসতে পারতো। জাকির ছিলো। ও তো টপ অর্ডার ব্যাটার। উইকেটরক্ষকও। হয়তো বিজয়ের ওপর আস্থা বেশি সে কারণেই বিজয়কে নেয়া।’

আরও পড়ুন