রবিবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৪

সর্বশেষ

চট্টগ্রামে শান্তি পূর্ণ হরতাল,দূরপাল্লার বাস চলেনি,মোড়ে মোড়ে অবস্থান আওয়ামী লীগের

বিএনপি-জামায়াতের ডাকা হরতাল শান্তি পূর্ণ ভাবে পালিত হয়েছে।রোববার (২৮ অক্টোবর) সকালে নগরীর বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, জিইসি, কাজীর দেউড়ি, নিউমার্কেট, আগ্রাবাদ, নতুন ব্রিজসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে অন্যদিনের তুলনায় গণপরিবহ চলেছে কম।তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে গণপরিবহ ও অন্যান্য যানবাহন বাড়তে থাকে।নতুন ব্রিজ এলাকা থেকে বিভিন্ন রুটের কিছু বাস চলাচল করছে। বন্ধ রয়েছে দূরপাল্লার বাস।
তবে বিএনপি বড় কোন মিছিল না করলেও ছোট ছোট মিছিল করেছে । তবে মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়েছে আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। সর্তক অবস্থানে ছিল পুলিশও।
সকাল ১১টার দিকে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গণপরিবহন অন্য দিনের তুলনায় সড়কে বের হয়নি। ১০ টার পর অবস্থা বুঝে কর্মজীবী মানুষ ঘর থেকে বের হয়। নগরীর বিভিন্ন রুটের অন্য দিনের তুলনায় ছিল ফাঁকা।জনসমাগম কম দেখা গেছে এলাকায় এলাকায়।


সকালে হরতালের সমর্থনে নতুন ব্রীজ এলাকায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক একটি মিছিল করে।অন্যদিকে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি কিছু নেতা কাজির দেউরীতে একটি মিছিল করে।জেলার যুগ্ম আহবায়ক ইন্জিনিয়ার বেলায়েত,নুরুল আমিন চেয়ারম্যান,সরোয়ার আলমগীর,কাজী সালাউদ্দীন সহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ দিকে সকালে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু হাশেম বক্কর,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এমএ আজিজের বাড়ীতে তল্লাশি ও অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।তবে ওই সময় তারা বাসায় ছিলেন না।
বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপির নাশকতা, নৈরাজ্য ও অরাজকতার বিরুদ্ধে দারুল ফজল মার্কেট চত্বরে অনুষ্ঠিত শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন,পুলিশ হত্যা, সরকারি স্থাপনা ও সম্পদ ধ্বংস করা এবং প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল। এসমস্ত অপকর্মের ইন্ধনদাতা খুনি মির্জা ফখরুল ইসলামের রাষ্ট্রদ্রোহিতার দায়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। এই মির্জা ফখরুলের রক্তের মধ্যেই রয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা এবং রাজাকারের রক্ত। বংশগতভাবে পাকিস্তানি ভাবধারায় দীক্ষিত। এসমস্ত কুলাঙ্গারদের বাংলার মাটিতে ঠাঁই হতে পারে না।

 

আরও পড়ুন