শনিবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৪

সর্বশেষ

স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক সুমনের সমর্থনে প্রকাশ্যে আ.লীগ নেতারা

চট্টগ্রাম-১১ আসনের সাংসদ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এমএ লতিফকে ভোট যুদ্ধে পরাজিত করতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক সুমনের পক্ষে একাট্টা হয়েছেন মহানগর ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ।

সংসদীয় এই আসনের প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থী সুমনকে প্রকাশ্য সমর্থন জানাতে একইমঞ্চে সমবেত হয়েছেন বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরবৃন্দ।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর বন্দর এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি থেকে চমক দেখিয়েছেন চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। মঞ্চে প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত একাধিক ওয়ার্ড কাউন্সিলরের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে নগর আওয়ামী লীগের মহিউদ্দিন ও নাছির উভয় বলয়ের সমর্থন জিয়াউল হক সুমনের পক্ষেই।

চট্টগ্রাম-১১ সংসদীয় আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও আসন্ন সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এমএ লতিফকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন স্থানীয় ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমন।

মতবিনিময় সভায় সংসদীয় আসনটির বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিকলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ সংসদ এমএ লতিফের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে মতবিনিময় সভায় বলেন, আমরা ১১ আসনে ১০টি ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ পরিবার আজ জিয়াউল হক সুমনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। আমরা এমএ লতিফের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হবো।

সভায় এমএ লতিফের বিরুদ্ধে জামায়াত-বিএনপির সাথে যোগসাজশের অভিযোগ তুলে ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ বলেন, চট্টগ্রামের ১০টি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল করে ফেলা হয়েছে। সরকার ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকলেও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ সাংসদ লতিফের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ সময় মঞ্চে উঠে সাবেক নগর যুবলীগ নেতা ও বর্তমানে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক সুমনকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পূর্ণ সমর্থন জানান চট্টগ্রাম-১১ আসনের অন্তর্গত প্রায় সবকটি ওয়ার্ডের বর্তমান ও সাবেক কাউন্সিলরবৃন্দ।

তারা হলেন মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হাজী সফর আলী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ নঈুম উদ্দিন চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক হাসান মোহাম্মদ সমশের, সদস্য কামরুল হাসান ভুলু, সদস্য রোটারিয়ান মোহাম্মদ ইলিয়াছ, ইপিজেড থানা আ.লীগের সাবেক আহ্বায়ক হাজী হারুনর রশীদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু তাহের, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র আফরুজা কামাল, সাবেক কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, আবদুল কাদের, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের মা ও শিশু বিষয়কসম্পাদক শারমিন সুলতানা ফারুক, ইপিজেড থানা আ.লীগের সভাপতি হাজী সুলতান নাছির উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক সেলিম আফজাল, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াস, কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ চৌধুরী, ৪১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম ও ৪০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চৌধুরী।

এছাড়া সাবেক কাউন্সিলর হাজী মো. আসলাম, ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. হাসান মুরাদ, সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. হাসান, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জানে আলম, কাউন্সিলর আবদুল মান্নান, ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক মো. এসকান্দার, কাউন্সিলর মো. মোশের্দ, ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল আলম চৌধুরী, আ.লীগ নেতা নুরুল নবী লিটন, আলী বক্স, কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জুবায়ের, আ.লীগ নেতা নজরুল ইসলাম বাহদুর, সেলিম রেজা আজিজ মোল্লা, কাউন্সিলর জাফরুল হায়দার সবুজসহ নেতৃবৃন্দ সুমনকে সমর্থন জানান।

আরও পড়ুন