সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সর্বশেষ

চবিতে ৭ম মেধাতালিকা প্রকাশের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীরা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: ২০২২-২৩ সেশনে তিন শতাধিক আসন ফাঁকা রেখে মেধাতালিকা প্রকাশ বন্ধ করে দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) কর্তৃপক্ষ। ফাঁকা আসনে ভর্তির জন্য পরবর্তী (৭ম) মেধাতালিকা প্রকাশের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

মানববন্ধনে আবিদ হোসাইন বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে উচ্চ এবং গুণগত শিক্ষার অন্যতম ক্ষেত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়।
কঠোর পরিশ্রম করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার যোগ্যতা অর্জন করলেও চবি কর্তৃপক্ষ ৭ম মেধাতালিকা প্রকাশ না করায় উচ্চ শিক্ষা অর্জনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি আমরা। এ অবস্থায় আমরা অনেক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে সময় পার করছি। উপাচার্য মহোদয়ের নিকট বিনীত নিবেদন, পরবর্তী মেধাতালিকা প্রকাশ করে আমাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ তৈরির সুযোগ করে দিন।

ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থী নানজিবা নাওয়ার বলেন, অপেক্ষমাণ তালিকার কয়েকজনের পরেই আমার পজিশন। এ ইউনিটে ১০৫টি আসন খালি থাকায় আমি নিশ্চিত ছিলাম ৭ম মেরিটে সাবজেক্ট আসবে। কিন্তু মেধাতালিকা প্রকাশ বন্ধ করে দেওয়ায় আমি অনেক দুশ্চিন্তায় রয়েছি। তা ছাড়া কয়েক জায়গায় চান্স পাওয়ার পরও ভর্তি হইনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ব বলে। কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ ৭ম মেধাতালিকা প্রকাশ করে আমাদের ভর্তির সুযোগ দিন।

বক্তারা বলেন, আমরা স্মারকলিপি নিয়ে ভর্তি কমিটির সচিব একাডেমিক শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রারের কাছে গেলে উনি আমাদের উপাচার্যের কাছে পাঠান। এরপর উপাচার্যের দফতর থেকে আমাদের প্রক্টরের কাছে পাঠানো হয়। প্রক্টর স্মারকলিপি গ্রহণ করলে উপাচার্যের কাছে আমাদের সঙ্গে যেতে রাজি হননি। এভাবে আমরা বারবার হয়রানির শিকার হচ্ছি। দয়া করে আমাদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তি হওয়ার সুযোগ দেবেন।

২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ষষ্ঠ বা সর্বশেষ মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয় দুই মাস আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর। পরে চূড়ান্ত ভর্তি ও মাইগ্রেশনের তালিকা দেওয়া হয় ৩০ সেপ্টেম্বর। চূড়ান্ত এ তালিকায় দেখা যায় ৮ ইউনিট ও দুই উপ-ইউনিটে মোট তিন শতাধিক আসন খালি রয়েছে। তবে এরপরও গত দুইমাসে আর মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়নি। এ নিয়ে ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীরা অনিশ্চয়তা থেকে দীর্ঘদিন স্মারকলিপি নিয়ে বিভিন্ন দফতরের দ্বারস্থ হলেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি কর্তৃপক্ষকে।

আরও পড়ুন