শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সর্বশেষ

যে কোন উপায়ে বিএনপি ক্ষমতায় এলে বাংদেশ শ্মশানে পরিনত হবে-আ.জ.ম নাছির

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, সরকার পতনের অযৌক্তিক ১দফা আন্দোলনের নামে বিএনপি দফায় দফায় অবরোধ কর্মসূচি দিয়ে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তারা যে কোন উপায়ে অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতায় যেতে উন্মাদ হয়ে গেছে। জ্বালাও পোড়াও করে এবং মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে বিএনপি এর আগেও একাধিকবার ক্ষমতায় যেতে চেয়েছে কিন্তু কোনভাবেই তারা সফল হয়নি এবং এবারও তারা শতভাগ ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আজ বৃহস্পতিবার সকালে দামপাড়ায় ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ২৪, ২৫, ২৬, ৪২, ৪৪ নং ওয়ার্ড, থানা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় কাউন্সিলরদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ক্ষমতায় যেতে হলে নির্বাচনী ট্রেনে উঠতে হবে। কিন্তু তারা ঠুনকো অজুহাতে নির্বাচনী ট্রেনে উঠেনি। তাই নির্বাচন নিয়ে কোন কথা বলার অধিকার বিএনপির নেই। বিএনপির শীর্ষ নেতারা দন্ডপ্রাপ্ত আসামী হয়ে অনেকেই কারাগারে এবং গ্রেফতারের ভয়ে কেউ কেউ বিদেশে পলাতক রয়েছেন। তাই তারা যদি ক্ষমতায় যেতে চায় তাদের সরকার প্রধান হবার মত যোগ্য আর কেউ নেই। তাই তারা নির্বাচনে যেতে চায় না। জামায়াত তো একটি অনিবন্ধিত দল। তাদের নির্বাচনে আসার প্রশ্নই উঠে না। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন, বিএনপি-জামায়াত যতবারই ক্ষমতায় গেছে তা পেছন দরজা দিয়ে বা সূক্ষ্ম নির্বাচনী কারচুপির মাধ্যমে। বিএনপি কোনভাবেই একটি রাজনৈদিক দল নয়।

দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান কৌশলে ক্ষমতা দখল করে বিএনপি নামক যে দলটি গঠন করেছে সেটা উচ্ছিষ্টের দল। এদের একমাত্র উদ্দেশ্য রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট করা। জিয়া পুত্র তারেক রহমান হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিং করে যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত হয়ে বিদেশে পালিয়ে আছেন এবং বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন।

এই কুসন্তানরা ক্ষমতায় এলে সমগ্রদেশ শ্মশানে পরিনত হবে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, আলহাজ্ব আলতাব হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমাল আল মাহমুদ এম.পি, সাবেক মহানগর যুবলীগ আহবায়ক আলহাজ্ব মহিউদ্দিন বাচ্চু এম.পি, চন্দন ধর, হাজী মোহাম্মদ হোসেন, আহমেদুর রহমান সিদ্দিকী, দিদারুল আলম চৌধুরী, আবু তাহের, নির্বাহী সদস্য সৈয়দ আমিনুল হক, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, বখতিয়ার উদ্দিন খান, কামরুল হাসান বুলু, ডা. নিছার উদ্দিন আহমদ মঞ্জু, মোরশেদ আক্তার চৌধুরী, থানা আওয়ামী লীগের আলহাজ্ব ফয়েজ আহমদ, মোহাম্মদ হোসেন হিরন, আবু তাহের, মোমিনুল হক, অধ্যাপক আসলাম হোসেন, রেজাউল করিম কায়সার, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আতিকুর রহমান, সিদ্দিক আহমদ, নুরুল আমিন, সৈয়দ মোহাম্মদ জাকারিয়া, আবুল কাশেম, খয়রাতি মিয়া চৌধুরী, আব্দুল্লাহ আল ইব্রাহিম, অধ্যাপক ইসমাইল হোসেন, শেখ সরওয়াদী, আসলাম হোসেন, কায়সার মালিক, দিদারুল আলম মাসুম, সিরাজুল ইসলাম, দিলদার খান দিলু, এরশাদ উল্লাহ, নাজিমুল ইসলাম মজুমদার, সৈয়দ আমিনুল হক, মোহাম্মদ রেদোয়ান, লুৎফুল হক খুশি, কাউন্সিলর আবুল হাসনাত মোহাম্মদ বেলাল, মোহাম্মদ ইলিয়াস, মোরশেদুল আলম, নাজমুল হক ডিউক, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর আনজুমান আরা, জেসমিন পারভিন জেসি প্রমুখ। এছাড়া ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহবায়ক, যুগ্ম আহবায়কগণ উস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন