মঙ্গলবার, ৫ই মার্চ, ২০২৪

সর্বশেষ

বিএনপির ‌‘অসহযোগ আন্দোলন’ নির্বাচনে অতিরিক্ত সমস্যা : ডিএমপি কমিশনার

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির ডাকা ‌‘অসহযোগ আন্দোলনকে’ নির্বাচনের জন্য অতিরিক্ত সমস্যা বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঢাকা অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ভোট বর্জনের আহ্বান জানিয়ে ‘অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দিয়েছে বিএনপি। অন্যান্য ভোটে একমুখী সমস্যা থাকে। প্রার্থী এবং তাদের সমর্থকেরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন। তাদের আচরণবিধি মানতে বাধ্য করা হয়। এবারের নির্বাচনে নাশকতা, সন্ত্রাস এবং আতঙ্ক সৃষ্টির পাশাপাশি অতিরিক্ত সমস্যা হলো বিএনপির ‘অসহযোগ আন্দোলন’।

তিনি বলেন, একটি বা দুটি দলের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শঙ্কা সৃষ্টি হতে পারে। সেইগুলো মোকাবিলা করে ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা হবে।

তিনি আরও বলেন, নাশকতা একটি নয় একাধিক ঘটনা হচ্ছে। ২৮ অক্টোবর থেকে দেশে জ্বালাও-পোড়াও হচ্ছে। অনেকে আইনের আওতায় এসেছে, বাকিরাও চলে আসবে। এগুলো যাতে না ঘটে সেজন্য পুলিশ সজাগ রয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ইসি থেকে আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আজকের সভাকে সমন্বয় সভা বলা যেতে পারে। ভোট শান্তিপূর্ণ যাতে হয়, তৃতীয় পক্ষ যাতে কোনো ধরনের সহিংসতা না করতে পারে সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ডিএমপি কমিশনার, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি, জেলা প্রশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল গত ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ছিল ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল ও নিষ্পত্তি চলে ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল ১৭ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ হয় ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয় ১৮ ডিসেম্বর থেকে, যা জানুয়ারির ৫ তারিখ পর্যন্ত চলবে।

আরও পড়ুন