শনিবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৪

সর্বশেষ

ভয় দেখিয়ে মানুষকে ভোট কেন্দ্রে নেওয়া যাবে না

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনকে চিরবিদায় দিয়েছে আওয়ামীলীগ। তারা আবারো একতরফা নির্বাচনের জন্য সকল শক্তি নিয়োগ করেছে। বর্তমানে দেশ এক ভয়ঙ্কর ক্রান্তিকাল অতিবাহিত করছে। ভয় আর শঙ্কা মানুষের পিছু নিয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্বকে বিক্রি করে দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার গ্যারান্টিপত্র আদায় করা হয়েছে। আর এই অবৈধ নির্বাচনের বিরুদ্ধে বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলো সংগ্রাম করছে জনগণের ভোটের জন্য। কিন্তু সরকার জনগণকে হুমকি দিয়ে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে ভোট দেওয়াতে চায়। যেখানে মানুষের মন থেকে ভোট দেওয়ার কোনো আগ্রহ নেই, সেখানে হুমকি দিয়ে সে ভোটে নেওয়া যাবে না। জনগণ একতরফা তামাশার নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। ভয় দেখিয়ে মানুষকে ভোট কেন্দ্রে নেওয়া যাবে না।

তিনি সোমবার (১ জানুয়ারী) সকালে বাকলিয়া বউ বাজার এলাকায় সরকার পতনের একদফা দাবি ও ৭ জানুয়ারীর নির্বাচন বর্জনে অসহযোগ আন্দোলনের সমর্থনে জনমত তৈরির লক্ষ্যে বাকলিয়া থানা বিএনপির গণসংযোগ, মিছিল ও লিফলেট বিতরণকালে এসব কথা বলেন।

তিনি নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী, দোকানদার ও সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করে আসন ভাগাভাগির একতরফা ডামি নির্বাচন বর্জন করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকার দেশের সম্পদ লুট করে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। মন্ত্রী এমপিদের দুর্নীতির খবর এখন মানুষের মুখে মুখে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলফনামায় মন্ত্রী এমপিদের সম্পদের যেসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, টিআইবি যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তাদের লুটের সম্পদের পরিমাণ আরও বহুগুণ বেশি। অবৈধ সরকারের নেতাকর্মীদের সম্পদ বাড়লেও ঋণের বোঝা পড়ছে জনগণের কাঁধে। তাদের হাত থেকে মুক্তি পেতে পাতানো নির্বাচনের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, বাকলিয়া থানা বিএনপির সি. সহ সভাপতি এম আই চৌধুরী মামুন, দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী নবাব খান, পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান উদ্দিন, মহানগর বিএনপি নেতা নকিব উদ্দীন ভূইয়া, ইসমাইল বাবুল, পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আরিফুল ইসলাম ডিউক, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক খান, কোতোয়ালি থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এন মো. রিমন, বাকলিয়া থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক দুলাল মিয়া, সদস্য সচিব শামিম আহমেদ প্রমূখ।

এছাড়া মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য, সাবেক কাউন্সিলর আবুল হাশেম, সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম ও হালিশহর থানা বিএনপি নেতা ইলিয়াছ চৌধুরীর নেতৃত্বে হালিশহর কাঁচা বাজার এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয়। তাছাড়া উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, ইন্জি. বেলায়েত হোসেন, সরওয়ার আলমগীর ও কাজী সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে গোল পাহাড় এলাকায়, উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সরোয়ার আলমগীরের নেতৃত্বে ফঠিকচড়ি সদরে, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম দুলালের নেতৃত্বে ওয়ার্লেস ঝাউতলা কলোনী এলাকায়, ইপিজেড থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রোকন উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে ইপিজেড চৌধুরী মার্কেট, কাঁচা বাজার ও নিউমুরিং এলাকায়, মহানগর বিএনপির সাবেক যুব বিষয়ক সম্পাদক আজাদ বাঙ্গালী ও যুবদল নেতা সোহরাব শাহীনের নেতৃত্বে দক্ষিণ কাট্টলী জাইল্ল্যা পাড়া কালী মন্দির এলাকায়, গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হারুনের নেতৃত্বে মধ্যম গোসাইলডাঙ্গা এলাকায়, মহানগর যুবদলের সহ সভাপতি ফজলুল হক সুমন, বন্দর থানা যুবদলের আহবায়ক শফিউল আজম ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইয়াছিনের নেতৃত্বে কলসী দীঘি মোড় ও ফজলুল হক সুমন, সহ সম্পাদক হোসেন উজ জামান, হালিশহর থানা যুবদলের আহবায়ক এস এম মোশাররফ আমিন সোহেল, পাহাড়তলী থানা যুবদলের সদস্য সচিব শওকত খাঁন রাজু, যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন ফরহাদের নেতৃত্বে অলংকার মোড় ও বড়পুল মোড়ে, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি আলিফ উদ্দিন রুবেলের নেতৃত্বে বাদুরতলা মাজার গেট এলাকায়, মহানগর ছাত্রদলের সি. যুগ্ম আহবায়ক আসিফ চৌধুরী লিমনের নেতৃত্বে প্রতিবাদ র‌্যালী, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রবিউল হোসেন রবি ও সদস্য সচিব কামরুদ্দীন সবুজের নেতৃত্বে প্রতিবাদী র‌্যালী, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন