শুক্রবার, ১২ই জুলাই, ২০২৪

সর্বশেষ

বাংলাদেশ একটি পুলিশী রাষ্ট্রে পরিনত হয়েছে -ডা.শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হো‌সে‌ন,বাংলাদেশ একটি পুলিশী রাষ্ট্রে পরিনত হয়েছে। এদেশের মানুষের বাক স্বাধীনতা নেই, গণতন্ত্র নেই, মানবাধিকার নেই, সাংবিধানিক অধিকার নেই, ভোটাধিকার নেই। আজ একদলীয় ভাবে দেশ চালাচ্ছে এই অবৈধ সরকার। এই সরকার একদলীয় নির্বাচনের লক্ষ্যে বিগত ২০১৮ ইং সালে নির্বাচনের পূর্বে যেভাবে আমাদের নেতা কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে, ঠিক সেই ভাবে এখন থেকে গ্রেফতার শুরু করেছে। এ সরকারের কথার সাথে কাজের কোন মিল নেই। তারা সবসময় মিথ্যাচার করে আসছে। কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে। তাই জনগণ এ সরকারকে বিশ্বাস করে না। গতকাল আমাদের কোতোয়ালি থানা যুবদলের আহবায়ক নূর হোসেন নূরকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে। আজকের যে মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে সেই মামলার এজাহারে তার নাম ছিল না।বাকলিয়া, কোতোয়ালি ও চকবাজার এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের বাসায় বাসায় গিয়ে তল্লাশির নামে পুলিশী হয়রানি করা হচ্ছে।অবিলম্বে এই হয়রানি বন্ধ করুন। তা নাহলে বিএনপি থানায় থানায় কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

তিনি আজ,০৬ জুলাই , বৃহস্পতিবার , বিকালে, কোতোয়ালি থানা যুবদলের আহবায়ক নূর হোসেন নরুকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে কোর্ট হিল চত্বরে তৎক্ষণাৎ প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্যে এ কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন,
বাংলাদেশে মুক্ত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই।
সাংবাদিকরা সরকারের সমালোচনা করলেই তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আইসিটি এ‍্যাক্ট নামে কলো আইনে মামলা করা হয়।এই সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন দেশের মানুষ তাদের গণতন্ত্র ফিরে পাবে না , ভোটার অধিকার ফিরে পাবে না,বাকস্বাধীনতা ফিরে পাবে না। তাই আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এডভোকেট মফিজুল হক ভূঁইয়া,গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দীপ্ত, এডভোকেট তারিক আহমেদ, হাজী নবাব খান, এডভোকেট নেজাম উদ্দিন, যুবদল নেতা ফজল হক সুমন, জিল্লুর রহমান, মোহাম্মদ খোকন, মুজিবুর রহমান, মোঃ হাসান, মোহাম্মদ সরোয়ার উদ্দিন, মোঃ হাসান, মোঃ মুসা, মোঃ মামুন, এফএম রুমি রুম্মান আফরোজ, মোহাম্মদ শাহিন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন