রবিবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৪

সর্বশেষ

বদলে গেছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের আশেপাশের এলাকা বদলে গেছে!বঙ্গবন্ধু র্টানেলকে ঘিরে এ বদলে যাওয়া।বিগত কয়েক বছর যারা এখানে আসেনি তারা এখন এসে চিনতে পারবেনা এ সৈকতকে।সমুদ্র তীরে হাঁটার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে। তীরজুড়ে ফুলের বাগান। বসানো হয়েছে ছোট ছোট বিশ্রাম চেয়ার এবং রঙ-বেরঙের পাথর। গড়া হয়েছে বেসরকারী ভাবে   শিশুদের জন্য নানা রাইড। বসার স্থান, হাঁটার পথ ও সবুজ বাগান করা হয়েছে ফাঁকে ফাঁকে। পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে দর্শনার্থীদের ভিড় বেড়েছে আগের তুলনায়।
রাতেও আলোয়  ঝলমলে রাখতে দেওয়া হয় লাইট।প্রথম প্রথম টিক থাকলেও এ লাইট গুলো এখন আর জলেনা।সন্ধা হলে নেমে আসে অন্ধকার। নিরাপত্তা হিনতায় ভোগেন  বেড়াতে আসা পর্যটক মহিলারা।

 

এখানে আগের তুলনায় পর্যটক বেড়েছে বহুগুণে। প্রতিদিনই সৈকতে যেন হাজারো মানুষের মিছিল নামে। তাদের অনেকের মুখে মুখেই ছিল—সৌন্দর্যবর্ধনের দিক থেকে এ সৈকত ছাড়িয়ে গেছে কক্সবাজারকেও। পর্যটকরা বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সৈকত হলেও অবকাঠামোগতভাবে তেমন উন্নয়ন হয়নি। কিন্তু কয়েক দিন আগে ফেসবুকে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের ছবি দেখে বিস্মিত হয়েছি। দর্শনার্থীদের জন্য এত সুযোগ-সুবিধা কল্পনার বাইরে ছিল।

সমুদ্রে ভাটা থাকলে শত শত নারী পুরুষ, তরুণ তরুণী  নিচে নেমে সমুদ্রের বালুচরে হেঁটে বেড়ান। সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে পানিতে গোসল করছেন মনের আনন্দে। বাগানে ফোটা ফুলের ঘ্রাণে মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করছেন সমুদ্রের বিশালতা। স্পীড বোটে চড়ে চক্কর দিচ্ছেন সমুদ্রে। অন্যদিকে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিচ কমিউনিটি পুলিশ দেখা গেছে। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে অতিরিক্ত দর্শনার্থীদের বিষয়টি মাথায় রেখে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এখানে।

প্রতিদিন দুপুর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে দর্শনার্থীরা ভিড় করেন। সূর্যাস্ত দেখার জন্য সুযোগ রয়েছে এখানে, তেমনি স্পিডবোটে চড়ে চলে যাওয়া যায় সাগরের অনেক গভীরে। তবে এখন পর্যন্ত পর্যটকবান্ধব কোনো কাঠামো গড়ে না ওঠায় ভোগান্তিতে পড়তে হয় দর্শনার্থীদের।

উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকে সৈকতে আসা জনসাধারণের নিরাপত্তায় প্রতিদিন পুলিশের একটি টিম ডিউটিতে থাকে। এছাড়া থানা পুলিশের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিচ কমিউনিটি পুলিশ কাজ করে। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে অতিরিক্ত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে সাদা পোশাকে ডিউটি ও ফোর্সের সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়া হয় বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

 

আরও পড়ুন